ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর পর মরদেহটি ঢাকায় নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে তা তার নিজ বাড়ি চট্টগ্রামে দাফন করা হবে।
কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে ৪৮ বছর বয়সি এই রাজনীতিবিদের মৃত্যু হয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান। বেনাপোলে মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তা গ্রহণ করেন রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা।
তিনি জানান, রোটনের মরদেহ প্রথমে ঢাকায় পৌঁছানোর পর সেখানে জানাজা সম্পন্ন করা হবে। এরপর মরদেহটি চট্টগ্রামের রাউজানের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় মৃত্যুর ছয় দিন আগে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ২০২১ সালে দলটির শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত হন। চিকিৎসার জন্য গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ভারতে অবস্থান করছিলেন।
মন্তব্য করুন