অনলাইন ডেস্ক
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় পাওনা টাকার দ্বন্দ্বে বন্ধুকে বিষ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১

ধার দেওয়া টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় এক ফল ব্যবসায়ীকে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ও বিষাক্ত দ্রব্য খাইযত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যবসায়ীর নাম ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ বস্তাবন্দী করে ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামিদের একজন নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁর সহযোগী মো. স্বপনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

পুলিশ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিহত ওয়াহেদ বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কে বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত নাজিম ও স্বপন স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থায় বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্পর্কের সূত্রে ওয়াহেদ তাঁর মায়ের নামে ওই সংস্থা থেকে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্বপনকে দুই লাখ ও নাজিমকে এক লাখ টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে ওয়াহেদ ধারের টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মধ্যে মারাত্মক কোন্দল শুরু হয়।

তদন্তকারীদের ভাষ্য মতে, টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে নাজিম ও স্বপন ওয়াহেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এমনকি নাজিম নিজের মুঠোফোনে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে অজ্ঞান করার ওষুধ ও বিষাক্ত দ্রব্যের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট ওয়াহেদকে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকার একটি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা চেতনানাশক মিশানো কোমল পানীয় খাইয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। রাতে লাশ বস্তায় ভরে মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেতে ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।

পরদিন ওয়াহেদের পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর, গত ১২ আগস্ট, মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেত থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে আনজুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হলেও পরে স্বজনেরা পোশাক ও অন্যান্য চিহ্ন দেখে সেটি ওয়াহেদের বলে শনাক্ত করেন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, কললিস্ট ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। পরে ওয়াহেদের ভাই সোহেল হোসেন হত্যা মামলা দায়ের করলে কাহালু উপজেলার মদনাই গ্রাম থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার নাজিমকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতক অপর আসামি স্বপনকে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

ধার দেওয়া টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় এক ফল ব্যবসায়ীকে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ও বিষাক্ত দ্রব্য খাইযত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যবসায়ীর নাম ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ বস্তাবন্দী করে ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামিদের একজন নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁর সহযোগী মো. স্বপনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

পুলিশ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিহত ওয়াহেদ বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কে বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত নাজিম ও স্বপন স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থায় বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্পর্কের সূত্রে ওয়াহেদ তাঁর মায়ের নামে ওই সংস্থা থেকে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্বপনকে দুই লাখ ও নাজিমকে এক লাখ টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে ওয়াহেদ ধারের টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মধ্যে মারাত্মক কোন্দল শুরু হয়।

তদন্তকারীদের ভাষ্য মতে, টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে নাজিম ও স্বপন ওয়াহেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এমনকি নাজিম নিজের মুঠোফোনে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে অজ্ঞান করার ওষুধ ও বিষাক্ত দ্রব্যের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট ওয়াহেদকে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকার একটি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা চেতনানাশক মিশানো কোমল পানীয় খাইয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। রাতে লাশ বস্তায় ভরে মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেতে ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।

পরদিন ওয়াহেদের পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর, গত ১২ আগস্ট, মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেত থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে আনজুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হলেও পরে স্বজনেরা পোশাক ও অন্যান্য চিহ্ন দেখে সেটি ওয়াহেদের বলে শনাক্ত করেন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, কললিস্ট ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। পরে ওয়াহেদের ভাই সোহেল হোসেন হত্যা মামলা দায়ের করলে কাহালু উপজেলার মদনাই গ্রাম থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার নাজিমকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতক অপর আসামি স্বপনকে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রিয়াদে টানা তৃতীয় দিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি, বন্ধ বিমানবন্দর

১

জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ক্ষেতলালের যুবক নিহত

২

ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ বেনাপোলে হস্তান্তর

৩

ক্ষেতলালে রাতের আঁধারে অসুস্থ গরু জবাই, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

৪

পাবনার বেড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ বিক্রি: দুই ফার্মেসিকে জরিমানা

৫

ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য প্রার্থীদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ প্রকাশ

৬

স্থানান্তর ফিচারে ফিরল ভোটাররা: ইসি’র নতুন নির্দেশনা জারি

৭

বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, চুক্তি স্বাক্ষর আজ

৮

মহাখালীতে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির চাপায় প্রাণ গেল নারীর

৯

কেন পালিত হয় পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম?

১০

আগামীকাল ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

১১

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়লো ১৭ পয়সা

১২

ভারতে পাচারকালে কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ৪

১৩

জয়পুরহাটের হাঁসের পালক যাচ্ছে বিদেশে

১৪

জয়পুরহাটে ৫০৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

১৫

ধানের পাশাপাশি মাচাভরা সবুজ ফসলে বদলে যাচ্ছে ক্ষেতলালের কৃষির চিত্র

১৬

পাঁচবিবিতে মাদ্রাসার ৪’তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

১৭

সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন মঞ্জুর,স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

১৮

রাবি শিক্ষার্থী ও রেলকর্মীদের বিরোধ: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

১৯

চাকরি থেকে পলায়নের অভিযোগ: ঢাকার সাবেক এসপি আসাদুজ্জামানসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত

২০