ধার দেওয়া টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় এক ফল ব্যবসায়ীকে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ও বিষাক্ত দ্রব্য খাইযত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যবসায়ীর নাম ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ বস্তাবন্দী করে ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামিদের একজন নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁর সহযোগী মো. স্বপনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
পুলিশ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিহত ওয়াহেদ বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কে বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত নাজিম ও স্বপন স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থায় বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্পর্কের সূত্রে ওয়াহেদ তাঁর মায়ের নামে ওই সংস্থা থেকে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্বপনকে দুই লাখ ও নাজিমকে এক লাখ টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে ওয়াহেদ ধারের টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মধ্যে মারাত্মক কোন্দল শুরু হয়।
তদন্তকারীদের ভাষ্য মতে, টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে নাজিম ও স্বপন ওয়াহেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এমনকি নাজিম নিজের মুঠোফোনে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে অজ্ঞান করার ওষুধ ও বিষাক্ত দ্রব্যের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট ওয়াহেদকে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকার একটি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা চেতনানাশক মিশানো কোমল পানীয় খাইয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। রাতে লাশ বস্তায় ভরে মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেতে ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।
পরদিন ওয়াহেদের পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর, গত ১২ আগস্ট, মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেত থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে আনজুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হলেও পরে স্বজনেরা পোশাক ও অন্যান্য চিহ্ন দেখে সেটি ওয়াহেদের বলে শনাক্ত করেন।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, কললিস্ট ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। পরে ওয়াহেদের ভাই সোহেল হোসেন হত্যা মামলা দায়ের করলে কাহালু উপজেলার মদনাই গ্রাম থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার নাজিমকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতক অপর আসামি স্বপনকে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
ধার দেওয়া টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় এক ফল ব্যবসায়ীকে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ও বিষাক্ত দ্রব্য খাইযত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যবসায়ীর নাম ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ বস্তাবন্দী করে ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামিদের একজন নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁর সহযোগী মো. স্বপনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
পুলিশ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিহত ওয়াহেদ বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কে বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত নাজিম ও স্বপন স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থায় বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্পর্কের সূত্রে ওয়াহেদ তাঁর মায়ের নামে ওই সংস্থা থেকে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্বপনকে দুই লাখ ও নাজিমকে এক লাখ টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে ওয়াহেদ ধারের টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মধ্যে মারাত্মক কোন্দল শুরু হয়।
তদন্তকারীদের ভাষ্য মতে, টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে নাজিম ও স্বপন ওয়াহেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এমনকি নাজিম নিজের মুঠোফোনে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে অজ্ঞান করার ওষুধ ও বিষাক্ত দ্রব্যের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট ওয়াহেদকে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকার একটি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা চেতনানাশক মিশানো কোমল পানীয় খাইয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। রাতে লাশ বস্তায় ভরে মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেতে ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।
পরদিন ওয়াহেদের পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর, গত ১২ আগস্ট, মালগ্রাম এলাকার একটি ধানখেত থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে আনজুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হলেও পরে স্বজনেরা পোশাক ও অন্যান্য চিহ্ন দেখে সেটি ওয়াহেদের বলে শনাক্ত করেন।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, কললিস্ট ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। পরে ওয়াহেদের ভাই সোহেল হোসেন হত্যা মামলা দায়ের করলে কাহালু উপজেলার মদনাই গ্রাম থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার নাজিমকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতক অপর আসামি স্বপনকে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন