রিপোর্ট বাংলাদেশ:
১ এপ্রিল ২০২৫, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে কাজলাবাসী

নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া বাজার। এ বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কাজলা নদী। এ নদীর ওপর ব্রিজ না থাকায় বৈঠা-মাঝিবিহীন নৌকার রশি টেনে পারাপার হতে হয় ৩ ইউনিয়নের ১৮ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নৌকা আছে মাঝি নেই। এমনকি বৈঠাও নেই। নদীর এপার থেকে ওপারে টানানে সাদা রঙের রশি টেনে পার হচ্ছে মানুষকে। যুগের পর যুগ রশি টানা একটি মাত্র নৌকায় চলছে বাসিন্দাদের পারাপার।

একটি সেতুর অভাবে কাজলা নদীর এপার-ওপারে রশি বেঁধে পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়াসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষ। প্রতিদিন এই নদী পার হয়ে আসা-যাওয়া করতে হয় স্থানীয়দের। তবে দীর্ঘ দিনেও এখানে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের।

তবে ভোট আসলেই জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য সরবরাহ, রোগী আনা নেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয়রা।

পানতিতা গ্রামের সুব্রত সিকদার বলেন, ১২ বছর ধরে শুনছি এখানে একটি সেতু হবে। সেতু আর হয় না ভোগান্তিও কমে না। দোসর এমপি অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। টেন্ডার করে শুনলাম ব্রিজ হয়ে যাবে। ব্রিজের খবর নেই। আমাদের যে কষ্ট আসলে সেই কষ্ট রয়ে গেল।

মুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিহির রঞ্জন বিশ্বাস জানান, বর্ষায় যখন ঝড় বৃষ্টি হয়, তখন অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নদী পারাপার নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে। রশি টানা এই নৌকায় পারাপার অনেক ঝুঁকি। সেই জন্য আমাদের একটা ব্রিজ দরকার।

ব্যবসায়ী সন্জয় বিশ্বাস বলেন, আমাদের এই খেয়া পার না হয়ে যদি তুলারামপুর হয়ে ঘুরে জেলা শহরে যাই তাহলে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পথ যেতে হয়। নদীতে পারাপারে যদি একটা ব্রিজ হতো তাহলে আমাদের দুর্ভোগ দূর হতো। এই ঘাট পার হয়ে ৪ কিলোমিটারে পথ পেরিয়ে নড়াইল যেতে পারি।

নড়াইল এলজিইডি কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ কুমার কুন্ডু প্রতিবেদককে বলেন, মুলিয়া খেয়া ঘাটে সাড়ে চার’শ মিটারের একটা ব্রিজ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এটা রেজিস্ট্রারি হয়ে গেছে। মোটামুটি একটা ডিজাইনও করা হয়েছে। আমরা আশা করছি দ্রুত এটা বাস্তবায়িত হবে।

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, নিহত ২

১

যুব উন্নয়নের প্রশ্ন ফাঁস: ৭ আসামির দুই দিনের রিমান্ড

২

বগুড়ায় ১৫ বছরের শ্যালিকাকে অপহরণের পরে ধর্ষণ, দুলাভাইয়ের যাবজ্জীবন

৩

শিক্ষার্থীর মায়ের আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

৪

নওগাঁয় বাড়িতে ঢুকে চেতনানাশক ঔষধ স্প্রে করে স্বর্ণ-চাঁদি ও নগদ টাকা চুরি

৫

চেতনানাশক দিয়ে ধর্ষণের পর জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ খাওয়াতেন মাদ্রাসাশিক্ষক

৬

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত সাহেদের দাফন সম্পন্ন, স্ত্রী-সন্তানের আহাজারি

৭

নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪, আহত অন্তত ৩০

৮

ডেমরায় জবির ‘নোঙর’ বাসে আগুন, হতাহত নেই

৯

উখিয়ায় রিসোর্টে আগুনে ১০ জনের মৃত্যু: মালিক ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১

১০

সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১১

ভারত থেকে এলো ১৮টি নতুন ব্রডগেজ কোচ, পৌঁছাল সৈয়দপুরে

১২

বগুড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু, মরদেহের ওপর দিয়ে গেল আরেক ট্রেন

১৩

দুপচাঁচিয়ায় লোটো শোরুমের ম্যানেজার হত্যা: ১০ মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

১৪

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যু, একই পরিবারের ৬ জন

১৫

মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

১৬

বগুড়ায় এনসিপির জেলা কার্যালয়ে আগুন, সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়াল

১৭

চাঁদা না দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনে আগুন দেওয়ার অভিযোগ, পুড়ল ৩ বাড়িসহ ৪ প্রতিষ্ঠান

১৮

সাইবার সুরক্ষা আইন: নাম বদল নয়, চাই নাগরিকের নিরাপত্তা

১৯

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অ্যাওয়ার্ড ও স্কলারশিপ পেলেন ক্ষেতলালের আশিক

২০